মাত্র দশ মিনিটেই বিনামূল্যে তৈরী করুন নিজের ওয়েব সাইট। বিশ্বাষ হচ্ছে না। শুধু তাই নয় সেই সাইটে রাখুন ব্লগ, ফোরাম, চ্যাট, গেস্টবুক, মেম্বার রেজিস্ট্রেশন, সাইট পরিদর্শনকারীদের তালিকা। এমনিক জাভা, পি.এইচ.পি. সহ বিভিন্ন এ্যানিমেশন বা নানা ধরনের এফেক্ট।

ভাবছেন কিভাবে। তাহলে এবার বলি, প্রথমেই এখান থেকে ওয়েবেপজমেকার নামক সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করুন। ইনস্টল করার পরই দেখবেন জাভা, পি.এইচ.পি. সহ বিভিন্ন এ্যানিমেশন বা নানা ধরনের এফেক্ট ব্যাবহার করার অপশন রয়েছে। যা ব্যাবহার করার জন্য মনে হয় না আমাকে কিছু বলতে হবে। ব্যাস ডিজাইন করে ফেলুন একটি ওয়েব সাইটের। আপনার যদি নিজস্ব ডোমেইন থাকে তাহলে এর Publish অপশন থেকে সরাসরি Publish করতে পারেন। কিন্তু ডোমেইন না থাকাটাই স্বাভাবিক আর সেক্ষেত্রে কি করবেন বলছি তাও।

এতক্ষণ যা ডিজাইন করা হল তাতো একটি ডিজাইন কিন্তু এতে যে ধরনের এফেক্ট ব্যাবহার করা হয়েছে তাতো বেশ কয়কটি ল্যাংগুয়েজের সমাহার। আর সেই প্রোগামটি পেতে File থেকে Export to HTML এ ক্লিক করে এর HTML ভাসর্নটি সেভ করুন। আর ওয়েব পেজ মেকারেও .wss ফরমেটের ফাইলটি সেভ করে রাখুন।

এবার এখানে ক্লিক করুন। যে সাইটটি ওপেন হল তারা ফ্রী সাব ডোমেইন দেয়। তবে সাব ডোমেইন (যেমন my1.ru, do.am, at.ua, vo.uz ইত্যাদি) হলেও খুবই সংক্ষিপ্ত হওয়ায় সাব ডোমেইন গুলোও বেশ ভালোই।

এখানে পছন্দমত নাম দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করুন। আর এপর লগইন করার পর এই সাইট থেকেই ব্লগ, ফোরাম, চ্যাট, গেস্টবুক, মেম্বার রেজিস্ট্রেশন, সাইট পরিদর্শনকারীদের তালিকার অপশন গুলো থেকে আপনার পছন্দ মত সিলেক্ট করে দিন। এরপর আপনার ডিজাইন করা পেজটি যে কোন এফ.টি.পি. সফটওয়্যার এর মাধ্যমে এখানে আপলোড করুন বা ওয়েব পেজ মেকারে থাকা .wss ফরমেটের ফাইলটি ওপেন করে File থেকে Publish অপশনে গিয়ে New তে ক্লিক করে যে নতুন উইন্ডো ওপেন হবে সখানে আপনার সাইটের তথ্যগুলো প্রবেশ করান তারপর OK করে এসে Publish বাটনে ক্লিক করুন।

16.JPG

এবার Publish হয়ে গেলে আপনার সাইটের কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে সেভ করে log out করে বেরিয়ে আসুন আর সাইটটি visit করে দেখুন এবার।

আশা করি সবাই ভালই  আছেন, কোনও কারন বসত যদি না থাকেন, ১০০% গ্যারেন্টী দিচ্ছি, এটা ব্যাবহার করলে হয়ে যাবেন।

মাত্র ১২.৪৩ MB-র দ্বারা আপনার মাথা কে-ই বানিয়ে ফেলুন আপনার কম্পিউটার-এর মাউস।
আজ নেট ঘাঁটতে ঘাঁটতে এই আদ্ভুত সফটওয়্যার টি আচমকাই খুঁজে পেলাম। তাই, শেয়ার না করে থাকতে পারলাম না। : )
এবার আমার স্টাইলে দেখে নিন Software টির Details:
Name: Camera mouse 2012
Size: ১২.৪৩ MB
License: Freeware (অর্থাৎ লাইসেন্স কি-এর গল্প নেই)
OS: Windows XP / Vista / 7 / 8 32-bit
Released on: 24th November, 2012
*Requirements: One computer, Electricity, & Webcam
শুধু ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিলেই হবে।
এবার বলি সফটওয়্যার টি কি করবে, আপনি যখন সফটওয়্যার টি ওপেন করবেন, তখন স্ক্রীন-এ আপনার ছবি ওয়েবক্যাম-এর মাধ্যমে আসবে, এরপর আপনাকে, আপনার মুখের যে কোনও অংশ সিলেক্ট করতে হবে। তারপর সফটওয়্যারটি আপনার দেখিয়ে দেওয়া স্থান কে  ক্রমাগত trace করবে, আর সেই মত মাউস পয়েন্টার-ও নড়বে। তবে মুখের একটি অংশ সিলেক্ট করার সময় নাক কে বাছলেই ভালো হয়, কেননা ওটা মোটামুটি স্ক্রীন-এর মাঝে থাকে, তাই স্ক্রীন ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার সম্ভবনা কমে যাবে।
আর কয়েকটি কথা বলি, সফটওয়্যার টি প্রচণ্ড সংবেদনশীল, তাই শুরু করার সময়ের জন্য কিছু সেটিংস্‌ recommend করছি, যাতে আপনাদের ব্যাবহার করতে সুবিধা হয়।
প্রথমে, Settings থেকে “Clicking” ট্যাব-এর সব কটি box-এ tick মেরে দিন।
চিত্রঃ  এবার, মাউস হিসাবে কাজ করবে আপনার নিজের মাথা 100% সত্য।
এর পর “Control” tab-এও সব box-এ tick দিন।
চিত্রঃ
 এবার, মাউস হিসাবে কাজ করবে আপনার নিজের মাথা 100% সত্য।
এরপর “Gains”-এর দুটো option-এই “very low” select করুন।
চিত্রঃ
 এবার, মাউস হিসাবে কাজ করবে আপনার নিজের মাথা 100% সত্য।
এরপর “Misc.” tab থেকে প্রথম option টি কে Extreme করুন।
চিত্রঃ
 এবার, মাউস হিসাবে কাজ করবে আপনার নিজের মাথা 100% সত্য।
এরপর Alt+D press করে OK করে দিন।
ব্যাস কাজ শেষ।
এরপর আরামে ব্যাবহার করুন।
এখানে DIRECT ডাউনলোড লিংক দেওয়া আছে  , তাই দ্রুত ডাউনলোড করুন এখানে

 

 

আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন আপনারা আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে খুবই ভাল আছেন। আজ আপনাদের জন্য একটি টিপস নিয়ে এসেছি। আমরা যারা নিয়মিত কম্পিউটার ব্যবহার করি, তারা হয়ত ব্লু স্ক্রীণটির সাথে মুখোমুখি হয়েছেন? এর মানে হল আপনার হার্ডডিক্স ক্র্যাস করেছে। এক্ষেত্রে আমাদের পড়তে হয় মহা বিপাকে। এর থেকে মুক্তির জন্য আমরা ছুটে যাই পিসি সাভিসিং সেন্টারে। তাই্ না? আর কত টাকা ঢালবেন এই পথে, আর নয়। এবার সমস্যা হওয়ার আগেই সমাধান করে ফেলুন সমস্যাটির!!!

 

এই সমস্যাটির নাম হল blue screen of death (BSOD). মূলতঃ এই সমস্যাটি ঘটে আপনার সিস্টেমের অত্যান্ত প্রয়োজনীয় কোন ফাইলের সমস্যা, বিকৃত, ফাইলটি মুছে যাওয়া বা এর যে কোন অংশের পরিবর্তনের কারণে।

যখন আপনার হার্ডডিক্স ক্র্যাস করে তখন উইন্ডোজ একটি ফাইল তৈরি করে নিজে থেকেই, এর নাম “dumps”. আর এটি জমা হয় :\Windows\Minidump ফোল্ডারে। আর এই ফাইলটি তৈরি হওয়ার সাথে সাথে এটি খুঁজতে খাকে কোন ফাইলটা মুছে গেছে। যখনই আপনার সিস্টেমের ফাইল মুছে যাবে ব্লু স্ক্রীণটি আসবে, আর আপনার জন্য সাথে করে নিয়ে আসবে যে ফাইলটি মুছে গেছে তার পাথ।  আসুন এর সমাধানের জন্য…….

উইন্ডোজএক্সপিরজন্য

  • My Computer’ >>> Properties এ যান।
  • এবার প্রোপার্টিজ থেকে Advanced ট্যাবে ক্লিক করুন।
  • এবার Advanced ট্যাবে এসে ‘Startup and recovery >>>Settings’ এ যান।

 

  • এবার নতুল ডা্য়লগ বক্স থেকে নিচের দিকের Write debugging information>>>Small Memory Dump (64KB)” নির্বাচন করুন।
  • এবার OK ক্লিক করুন।

 

  • ব্যস কাজ শেষ।

উইন্ডোজসেভেনএরজন্য

  • Start Menu >>> Computer এর উপর মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করুন।
  • এবার মেনু থেকে Properties এ ক্লিক করুন।
  • প্রোপার্টিজ ডায়লগ বক্স থেকে ‘Advanced system settings’ এ ক্লিক করুন।
  • এবার Advanced ট্যাব থেকে ‘Startup and recovery’ অংশের Settings এ ক্লিক করুন।
  • এবার নতুন করে খোলা ডায়লগ বক্সটির নিচের দিক থেকে ‘Write debugging information’ >>>“Small Memory Dump (256KB)” নির্বাচন করুন।
  • এবার ‘System failure’ থেকে‘Automatically Restart’ এটা আনচেক করুন।
  • এবার Ok করে বেরিয়ে আসুন।

এবার মূল কথায় ফিরে আসি। যখনই আপনি বুঝবেন যে আপনার সিস্টেম ক্র্যাস হবে, তখন যে সফটটি ব্যবহারের জন্য সেটআপ করেছেন তা আনইন্সটল করে ফেলবেন। তবে বেশিরভাগই দেখা যায় .sys এক্সটেনশান যুক্ত ফাইলগুলোই এই রকম সমস্যা সৃষ্টি করে। তবে আমরা একটু আগে যে কাজটি করেছি। এর আপনি সচরাচর ভাবে দেখতে পারবেন না। মানে ক্র্যাস কি কারণে হয়েছে এটি সংরক্ষিত থাকে “dumps” ফাইলটিতে। আপনি এই ফাইলটি পড়তে পারবেন। এই ফাইলটি পড়তে হলে আপনাকে একটি সফট ব্যবহার করতে হবে। সফটওয়্যারটির নাম BlueScreenView.ডাউনলোড করার জন্য এখানে ক্লিক করুন। এটি আপনার পিসির “dumps” ফাইল খুঁজে বের করে আপনাকে দেখাবে পিসির কোথায় কোথায় সমস্যা আছে।

  • প্রথমে সফটওয়্যারটি চালু করুন।
  • এবার File মেনু থেকে প্রথম আইকনটি নির্বাচন করুন।
  • ডিফল্টভাবে এটির লোকেশন দেয়া আছে C:\Windows\Minidump এটা।
  • এবার OK ক্লিক করুন। তাহলেই আপনার সামনে ক্র্যাস ফাইলগুলোর তালিকা চলে আসবে।
  • এবার এখান থেকে সর্বশেষ আইটেমটি নির্বাচন করুন।
  • এবার এই পাথে যান Options->Lower Pane Mode নির্বাচন করুন।
  • তাহলে আপনার পিসির ক্র্যাস হওয়া ফাইলগুলো দেখাবে।
  • এবার ভাল করে এটি পড়ুন, বুঝে নিন ও লোকেশানটি মনে রাখুন। আপনার সিস্টেমের কোন ফাইলটির সমস্যা হয়েছে বা সমস্যা করছে।
  • যদি আপনি ফাইলটির সম্পর্কে না বুঝেন, তাহল আপনাদের জন্য রয়েছে টিউনার পেজ। এছাড়াও গুগল মামা তো রয়েছেই।
  • এবার আপনিই যে পদক্ষেপে নেন। যেমন হয় সফটটি মুছে ফেলবেন অথবা আবার ইন্সটল করবেন।

 

 

 

 

সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন আল্লাহ হাফেজ………

 

সিস্টেম প্রোপার্টিজের উপরে আরেকটি ছবি দেখতে পাবেন, যা আপনাকে পরিবর্তন করতে হলে সফটওয়্যার লাগাতে হবে। আসুন কীভাবে সফটওয়্যার দ্বারা এটি পরিবর্তন করা যায় তা দেখি।

  • প্রথমে ১৮০*১৫৮ পিক্সেলের .bmp ফরম্যাটের একটি ছবি নিন।
  • ছবিটি পরিবর্তন করতে হলে sysdm.cpl ফাইলটি এডিট করতে হবে।
  • প্রথমে রিসোর্স হ্যাকার সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন। http://www.enterupload.com/u0cmtkq7hsna/ResHack.zip.html
  • এবার রিসোর্স হ্যাকার চালু করুন।
  • File >>> Open ক্লিক করুন।
  • এবার C:\Windows\System32 ফোল্ডারে যান।
  • এখান থেকে sysdm.cpl ফাইলটি ওপেন করুন।
  • রিসোর্স হ্যাকারের বামদিকের প্যানেল থেকে Bitmap >>> 1 >>> 1033 নির্বাচন করুন।
  • এবার Action মেনু >>> Replace Bitmap… এ যান।
  • Open file with new bitmap বাটনটিতে ক্লিক করুন।
  • ডায়লগ বক্সের ডানদিকের Select bitmap to replace এ 1 নির্বাচিত রেখে ফাইলটি সংরক্ষণ করুন।
  • এবার রিসোর্স হ্যাকার বন্ধ করে সিস্টেম প্র্রোপার্টিজ দেখুন পরিবর্তন হয়েছে কিনা ছবি।
  • সর্তকতা, উইন্ডোজের যে কোন রিসোর্স ফাইল এডিট করা বিপজ্জনক। তাই, রিসোর্সটি এডিট করার পূর্বে অন্য কোন ড্রাইভে বা অন্য কোন নামে কপি করে রাখতে পারেন।
  • এতে রিসোর্সটির সমস্যা হলে রিপ্লেস করে দিতে পারবেন।

উইন্ডোজ এক্সপি হল অপারেটিং সিস্টেমগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়। অনেক সময় এক্সপি জেনুইন করার প্রয়োজন হয়। জেনুইন করতে আমাদের বেশ বিপাকে পড়তে হয়। এক্সপিকে জেনুইন করা একদম সহজ। নিচের কাজটুকু করুন। এজন্যঃ

  • প্রথমে নোটপ্যাড খুলুন।
  • এবার নিচের কোডটি কপি করে নোটপ্যাডে পেষ্ট করুন।
  • এবার Digitalzone.reg নামে সেব করুন।
  • এবার রেজিষ্ট্রি ভ্যালুটি ডাবল ক্লিক করুন।
  • তাহলেই জেনুইন হয়ে যাবে।
  • এবার এই সাইটে যান।  http://windows.microsoft.com/en-US/windows/help/genuine/faq
  • এবার উক্ত সাইটে গিয়ে Validate এ ক্লিক করুন।
  • তারপর তাদের পথ অনুসরণ করুন।

কাজের মাঝে মাঝে সিস্টেম রিফ্রেশ করে তা ভাল থাকে। এভাবে কত করা যায় বলুন, কতবার করব, কতক্ষণ করব??? এত বার রিফ্রেশ করতে ভাল লাগে বলুন! না, ভাল লাগে না। এজন্যই তো এটি আপনাদের জন্য নিয়ে আসা। নিচের কোডটি কপি করে নোটপ্যাডে পেষ্ট করুন। এবার নোটপ্যাডটি refresh.cmd নামে সেভ করুন।

Echo Off

cd/

tree

C:

Tree

D:

Tree

E:

Tree

F:

Tree

G:

Tree

H:

Tree

I:

Tree

J:

Tree

K:

Tree

L:

Tree

M:

Tree

N:

Tree

O:

Tree

P:

Tree

Q:

Tree

R:

Tree

S:

Tree

T:

Tree

U:

Tree

V:

Tree

W:

Tree

X:

Tree

Y:

Tree

Z:

Tree

এবার ফাইলটির উপর ডাবল ক্লিক করুন। তাহলে রিফ্রেশ শুরু হবে।

কম্পিউটারে কাজ করার ফলে টেম্প ও রিসেট ফোল্ডারে অপ্রয়োজনীয় ফাইল জমা হয়। যা সিস্টেমকে ধীর গতি সম্পন্ন করে। এর জন্য নিয়মিত এগুলো পরিষ্কার করতে হয়। যা বিরক্তিকরও বটে। যাক আপনি ইচ্ছা করলে মাত্র ১ ক্লিকে এগুলো পরিষ্কার করতে পারেন। এজন্য নিচের কোডগুলো কপি করে নোটপ্যাডে পেষ্ট করুন। এবার নোটপ্যাডটি Digitalzone.bat নামে সংরক্ষণ করুন।

 

@del /F/S/Q %temp%

@del /F/S/Q %windir%\temp

@del /F/S/Q “C:\Documents and Settings\user name\Recent”

@Echo off

Echo.

Echo Complete

Echo.

pause

exit

এবার ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করুন। তাহলেই হবে। আর User name এর জায়গায় আপনার সিস্টেমের ইউজার নেইম দিতে হবে।

আমরা যারা ব্যবহারকারী তারা দেখেছেন, কম্পিউটার চালু হতে অনক্ষণ সময় লাগে। আর নয় দেরি, দ্রুত চালু করুন সিস্টেম। তার জন্য নিচের ধাপ অনুসরণীয়।

§   স্টার্ট থেকে রানে যান।

§   এবার regedit লিখে এন্টার করুন। তাহলে রেজিষ্ট্রি এডিটর খুলবে।

§   এবার HKEY_LOACAL_MECHINE\SYSTEM\CurrentControlSet\Control\ContentIndex এই পাথে যান।

§   ডান দিকের প্যানেলে অনেকগুলো ভ্যালু দেখতে পাবেন।

§   এখান থেকে startupdelay খুঁজে বের করুন।

§   এবার এটির উপর ডাবল ক্লিক করুন।

§   ডায়লগ বক্সের ডানদিকের Base অংশে Hexadecimal নির্বাচিত আছে।

§   Decimal সিলেক্ট করুন।

§   Base  এর বাম দিকে Value data তে 4800000 দেখবেন।

§   4800000 এর পরিবর্তে 40000 দিন।

§   এবার Ok করে রেজিষ্ট্রি এডিটর বন্ধ করুন ও সিস্টেম রিবুট করুন।

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সবচেয়ে বড় সমস্যা হল ভাইরাস। প্রায় সকল কম্পিউটারেই এন্টিভাইরাস আছে। কিন্তু আপনি কি জানেন আপনার  এন্টিভাইরাসটি কাজ করছে কিনা? প্রায় ব্যবহারকারী জানেন না তাদের এন্টিভাইরাসটি ঠিক মত কাজ করে কিনা? তবে আপনি ইচ্ছা করলে একটি ছোট্ট পরীক্ষার মাধ্যমে জানতে পারবেন আপনার এন্টিভাইরাসের কার্যকারীতা।

এর জন্য জটপট নোটপ্যাড খুলে নিচের কোডটি কপি করে jakuan.com লিখে সেভ করুন।

X5O!P%@AP[4\PZX54(P^)7CC)7}$EICAR-STANDARD-ANTIVIRUS-TEST-FILE!$H+H*

সেইভ করার সময় এটি একটি সতর্কবানী দেখাতে পারে। যদি দেখায় তাহলে বুঝতে হবে এন্টিভাইরাসটি ঠিক মত কাজ করছে। আর না দেখালে এন্টিভাইরাস দ্বারা যে ফোল্ডারে ফাইলটি রয়েছে, সেটি স্ক্যান করে দেখুন  কোন ভাইরাস সনাক্ত করে কিনা। যদি করে তবে এন্টিভাইরাস সচল আছে, না হল এটি সঠিকভাবে কাজ করছে না।

একদম ভিন্ন উপায়ে ফোল্ডার হিডেন

আমরা সবাই কম-বেশি ফোল্ডার হিডেন করতে অভ্যস্ত, তাই না? কিভাবে হিডেন করি? প্রথমে ফোল্ডারটির Properties যাই, তারপর Hidden চেক করে Ok করে বেরি আসি। এরপর Folder Option >>> View ট্যাব থেকে Do not show hidden files and folders চেক করে File Hidden করি। এই পদ্ধতিটি সবারই জানা আছে, কি বলেন? তাই আপনাদের জন্য এই ভিন্ন উপায়। দেখুন আর চেষ্টা করুনঃ

প্রথমে একটি ফোল্ডার তৈরি করুন। এবার এটিকে Rename করুন। এবার Alt কী চেপে 0160 লিখুন এবং এন্টার দিন। দেখুন ফোল্ডারটির নাম নেই এবং আপনি নাম ছাড়াই ফোল্ডারটিতে কাজ করতে পারবেন। এবার ফোল্ডারটির Properties এ যান। Customize ট্যাবে যান ও Change Icon এ ক্লিক করুন। এখানে অনেকগুলো আইকন দেখতে পাবেন। নিচের স্কোলবারটি টেনে ভিতরের দিকে যান। তারপর একটি ছবি ছাড়া আইকন দেখতে পাবেন। তা নির্বাচন করে OK, OK করে বেরিয়ে আসুন। এখান দেখুন আপনার ফোল্ডারটি কোথায়?

পাল্টিয়ে ফেলুন উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ারের টাইটেল

বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম হল মাইক্রোসফট উইন্ডোজ। উইন্ডোজের একটি বিল্টইন প্রোগ্রাম হল উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার। এর মাধ্যমে গান শুনা যায়। এটি চালু করলে টাইটেল লেখা থাকে Windows Media Player. আচ্ছা বলুন তো আর কতো এই নাম আমরা দেখব? আমাদের ইচ্ছে কি করে না যে আমাদের নাম লেখতে? ঠিক বলেছেন, ই্চ্ছা করে। কিন্তু কীভাবে?

  • স্টার্ট মেনু থেকে রানে গিয়ে Regedit লিখে এন্টার করুন।
  • তাহলে রেজিষ্ট্রি এডিটর খুলবে।
  • এবার এই ঠিকানায় যানঃ HKEY_USERS \ .DEFAULT \ Software \ Policies \ Microsoft \ WindowsMediaPlayer
  • এবার একটি স্ট্রীং ভ্যালু তৈরি করুন। স্ট্রীং ভ্যালুর জন্য উইন্ডোর খালি জায়গায় মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করুন। তাহলে একটি মেনু আসবে। মেনু থেকে New >>> String Value এ ক্লিক করুন।
  • String Value টির নাম দিন MediaPlayerName.

এবার ভ্যালুটির উপর ডাবল ক্লিক করুন। এবং Value বক্সে লিখুন  Jakuan, তারপর এন্টার চাপুন।

  • এবার রেজিষ্ট্রি এডিটর বন্ধ করুন।

ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের টাইটেলবারে দিন নিজের নাম

উইন্ডোজের বিল্ট-ইন সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে অন্যতম হল ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার। যা ইন্টারনেট ব্রাউজে ব্যবহার করা হয। তাহলে আপনি অবশ্যই দেখে থাকবেন, আপনার ব্রাউজারের টাইটেলবারে লেখা থাকে Microsoft Internet Explorer. আপনি ইচ্ছা করলে এটা পরিবর্তন করে আপনার নাম লিখতে পারেন।

তাই নাকি, কীভাবে???

কাজ বেশি না। নোটপ্যাড খুলে নিচের কোডটুকু কপি করে পেষ্ট করুন ও Jakuan.reg লিখে সেভ করুন।

Windows Registry Editor Version 5.00

[HKEY_CURRENT_USER\Software\Microsoft\Internet Explorer\Main]

“Window Title”=”Internet Explorer Provided Jakuan”

সেভ করার পর এটি ডাবল ক্লিক করুন, তাহলে এটি চালু হবে। এবার ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার খুলুন আর দেখুন অবস্থা।

তবে আমি ইচ্ছা করলে বাংলায় আপনার নাম লিখতে পারবেন। এক্ষেত্রে নাম লিখে সেভ ডায়ালগ বক্সের Encoding এ ড্রপ ডাউন মেনু থেকে Unicode সিলেক্ট করুন ও সেভ করুন।

মজিলা ফায়ারফক্সের টাইটেলবারে দিন নিজের নাম

ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের পর এবার আসুন জনপ্রিয় ইন্টারনেট ব্রাউজার মজিলা ফায়ারফক্সে। এখানেও একই অবস্থা। আপনি টাইটেলবারে আপনার নাম দিতে পারবেন। যা করতে হবে, তা হলঃ

  • C:\Program Files\Mozilla Firefox ফোল্ডারে যান।
  • chrome ফোল্ডারটি ওপেন করে en-US.jar নামক ফাইলটি WinRAR, 7-Zip বা WinZip এর মাধ্যমে ওপেন করুন। (এক্ষেত্রে ফাইলটি অন্য কোথাও বা অন্য নামে রিনেম করে ব্যকআপ করে রাখুন)।
  • locale\branding খেকে brand.dtd নামক ফাইলটি নোটপ্যাড দিয়ে ওপেন করুন। তাহলে নিচের কোডটি দেখতে পাবেন।

<!ENTITY  brandShortName        “Firefox”>

<!ENTITY  brandFullName         “Mozilla Firefox”>

<!ENTITY  vendorShortName       “Mozilla”>

  • এ কোডের পরিবর্তে নিম্নের কোড টাইপ করুন।

<!ENTITY  brandShortName        “Firefox”>

<!ENTITY  brandFullName         “Mozilla Firefox Provided by Jakuan “>

<!ENTITY  vendorShortName       “Mozilla”>

  • এবার File মেনু থেকে Save ক্লিক করুন।
  • এবার নোটপ্যাডটি Close করুন ও প্রাপ্ত ডায়ালগ বক্সে Yes বাটনে ক্লিক করুন।
  • এবার en-US.jar নামক ফাইলটি Close করুন।

শেষ আপনার কাজ। এবার ফায়ারফক্স ওপেন করুন আর দেখুন পরিবর্তনটা।